বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলের পরিচালক মাওলানা আবদুল হালিম বলেছেন, সরকারকে অনতিবিলম্বে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের মাধ্যমে জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে হবে। কারণ, প্রায় ৭০ শতাংশ ভোটার এ রায় প্রদান করেছেন । এ রায়কে নিয়ে টালবাহানা করলে জনগণকে সাথে নিয়ে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলে গণভোটের রায় বাস্তবায়নে সরকারকে বাধ্য করা হবে।
আজ ২ মে শনিবার কুড়িগ্রাম জেলা মডেল মসজিদ মিলনায়তনে কুড়িগ্রাম জেলা জামায়াতের দিনব্যাপী ‘সদস্য (রুকন) শিক্ষা শিবির’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জেলা আমীর অধ্যাপক আজিজুর রহমান সরকারের সভাপতিত্বে ও জেলা সেক্রেটারি মাওলানা নিজাম উদ্দিনের সঞ্চালনায় শিক্ষা শিবিরে বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি এডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ দেলাওয়ার হোসেন, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ব্যারিস্টার মাহবুবুল আলম সালেহী এমপি, অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম এমপি, জনাব মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক এমপি, কুড়িগ্রাম জেলা জামায়াতের সাবেক আমীর মাওলানা আব্দুল মতিন ফারুকী প্রমুখ।
রুকনদের উদ্দেশে মাওলানা আবদুল হালিম বলেন, সদস্যদের (রুকন) নৈতিক, সাংগঠনিক ও ব্যক্তিগত মান বৃদ্ধিতে গুরুত্ব দিতে হবে। মানুষের ঘরে ঘরে দাওয়াত পৌঁছে দিতে হবে ৷ কুড়িগ্রামবাসী যেহেতু ৪টি আসনেই জামায়াতে ইসলামী ও ১১ দলীয় ঐক্যকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করে জাতীয় সংসদে প্রেরণ করেছেন এজন্য আমাদের দায়িত্ব অনেক বেশি। আমদের সমাজকল্যাণমূলক কাজ বৃদ্ধির মাধ্যমে সকল মানুষের কাছে পৌঁছতে হবে। আমাদের মাঝে ভ্রাতৃত্ব মজবুত করতে হবে ৷
এডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ বলেন, ইসলামী আন্দোলনের ইতিহাস হচ্ছে ত্যাগ ও কোরবানির ইতিহাস। আমাদের শহীদ নেতৃবৃন্দ যে কোরবানি করে গিয়েছেন, একদিন সেই কোরবানির সিঁড়ি বেয়েই বাংলাদেশে ইসলামী সমাজ বিনির্মাণ হবে, ইনশাআল্লাহ।