তিস্তা নদী সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পে চীনের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা আনুষ্ঠানিকভাবে চেয়েছে বাংলাদেশ বেইজিং সফররত বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-এর সাথে এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে এই প্রস্তাব দেন।
দীর্ঘদিন ধরে ভারতের সাথে তিস্তা পানি বণ্টন চুক্তি ঝুলে থাকায় বাংলাদেশ এই নিজস্ব মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে চীনের সাথে আলোচনার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে।
বৈঠকে দুই দেশ তাদের ‘সমন্বিত কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদারত্ব’ আরও জোরদার করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।
তিস্তা প্রকল্পের পাশাপাশি মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষা নিয়েও আলোচনা হয়েছে।
এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গে বন্যা নিয়ন্ত্রণ, ভাঙন রোধ এবং সেচ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরিকল্পনার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে:
১। নদী খনন ও গভীরতা বৃদ্ধি
২। নদীর দু’পাশে দীর্ঘ বাঁধ নির্মাণ।
৩। জলাধার ও সেচ খাল তৈরি।
৪। নদী তীরবর্তী এলাকায় শিল্প ও পর্যটন কেন্দ্র স্থাপন।