ইইউ এর পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান বলেন, ইরানের জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে বোমা হামলা সমস্যার সমাধান করবে না, বরং পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে সামরিক শক্তিপ্রয়োগের চেয়ে আলোচনার টেবিলই সংকটের একমাত্র টেকসই সমাধান হতে পারে। সব পক্ষকে সংযম প্রদর্শনের অনুরোধ করেছেন তিনি।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দ্বন্দ্বের কারণে বিশ্বব্যাপী বিশেষ করে ইউরোপে জ্বালানি ও খাদ্যপণ্যের সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল নিরাপদ করতে তিনি জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় একটি বিশেষ চুক্তির প্রস্তাব দিয়েছেন।
কালাস জানিয়েছেন যে ইউরোপীয় ইউনিয়ন মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধে সামরিকভাবে জড়িত হতে আগ্রহী নয়। তবে তারা আঞ্চলিক অংশীদার যেমন– কাতার, মিশর এবং জর্ডানের সঙ্গে পরিস্থিতি শান্ত করার জন্য নিবিড়ভাবে কাজ করছে।
আমরা সবাই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনার বৃদ্ধি বন্ধ হওয়ার প্রত্যাশা করছি।