জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ হওয়া সাহসী মুখগুলোর আত্মত্যাগ আজও আমাদের প্রেরণা জোগায়। এরই ধারাবাহিকতায় উত্তরার শহীদ নাঈমা সুলতানা এবং শহীদ রিদোয়ান শরীফ জয়ের পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (এনসিপি)-র আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম। শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নিতে তাদের বাড়ি যান তিনি এবং এই বীরদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।
স্মরণ করা যাক সেই মর্মান্তিক দিনগুলোকে। উত্তরায় নিজেদের বাসার বারান্দায় অবস্থান করার সময় হাসিনার দোসরদের ঘাতকের বুলেটের শিকার হন শহীদ নাঈমা সুলতানা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর বর্বর হামলার প্রতিবাদে যিনি নিজের শিল্পকর্ম ও ছবির মাধ্যমে প্রতিবাদের ভাষা ফুটিয়ে তুলেছিলেন, তাকেও রেহাই দেওয়া হয়নি। অন্যদিকে, পরিবারের বাধা সত্ত্বেও দেশের টানে রাজপথে নেমেছিলেন শহীদ রিদোয়ান। উত্তরার রাজপথে ছাত্র-জনতার প্রতিরোধ গড়তে গিয়ে ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই তিনি শহীদ হন। দেশের জন্য তাদের এই সর্বোচ্চ ত্যাগের কথা দেশবাসী সবসময় গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে।
পরিবারগুলোর সাথে সাক্ষাতকালে তাদের সার্বিক খোঁজখবর নেন এনসিপির আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম। এ সময় শহীদ পরিবারগুলোর পক্ষ থেকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার ও বিচারের রায় বাস্তবায়নের জোরালো দাবি জানানো হয়। বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ শহীদ পরিবারগুলোর পাশে থাকার ও তাদের ন্যায়সঙ্গত দাবি আদায়ে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। শহীদদের রক্ত যেন বৃথা না যায়, সেজন্য একটি বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।