নিজস্ব প্রতিবেদক | Daily Crisis BD
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেছেন, “সারা বিশ্ব এখন আমাদের দক্ষ তরুণদের দিকে তাকিয়ে আছে।” তিনি মনে করেন, চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের যুগে বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মই হতে পারে দেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ—যদি তাদের সঠিক প্রশিক্ষণ ও দিকনির্দেশনা দেওয়া যায়।
তিনি আরও বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতাধীন প্রফেশনাল ইনস্টিটিউটগুলো দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়নে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে শিক্ষার্থীরা শুধু একাডেমিক জ্ঞানে নয়, বাস্তব জীবনের কর্মদক্ষতাতেও এগিয়ে যেতে পারেন।
ভিসি জানান, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে প্রশিক্ষিত ফ্রিল্যান্সার তৈরি করা সময়ের দাবি। বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের আইটি ও ডিজিটাল সেবার ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে প্রযুক্তি-ভিত্তিক প্রশিক্ষণ জোরদার করা হবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), রোবোটিক্স ও ডেটা সায়েন্সের মতো আধুনিক বিষয়ে উৎসাহিত করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, “আমরা চাই, আমাদের শিক্ষার্থীরা শুধু ডিগ্রিধারী না হয়ে দক্ষ ও উদ্ভাবনী মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে উঠুক। তারা যেন এআই অলিম্পিয়াডের মতো প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে পারে।”
শিক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এমন উদ্যোগ দেশে প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থান তৈরিতে বড় ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে এই প্রক্রিয়া দেশের তরুণ সমাজকে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় আরও প্রস্তুত করে তুলবে।
উপসংহার:
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে দেশের বিপুল তরুণ জনগোষ্ঠী কেবল চাকরিপ্রার্থী নয়, বরং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে দক্ষ কর্মশক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারবে।