এ শূন্যতা পুরণে ইতিহাসের এক সোনালী সুযোগ হাতছাড়া করলো ইসলামপন্থীরা,তাদের আদর্শিক দৈন্যের কারণে।
যারা ইসলামপন্থীদের ঐক্যের কথা বলছেন তারা কিন্তু সেক্যুলার ব্যর্থতার বিকল্পে ইসলামের আদর্শিক বয়ান ও উন্নয়ন প্রকল্পের বিষয়টি স্পষ্ট করেননি।
সবার আগে জাতীয় মূল্যবোধ ঠিক করার কথা ছিলো, উল্টো বরং জুলাই সনদে মুসলমানিত্বকে বিসর্জন দিয়ে এক নব্য সেক্যুলার দলিলে স্বাক্ষর করা হলো।
নতুন বন্দোবস্তের প্রকল্পে ইসলামের শিক্ষা ও উন্নয়ন নীতিকে হাজির করে একটা চমক দেখানো যেতো। কিন্তু এরকম ইশতিহার ঘোষণা করতে পারেনি তারা।
আমরা জুলাই বিপ্লবের সাফল্যের প্রথম দিনেই বলেছি এটা শরীআহ্’র বিপ্লব ছিলো না, তবে এটা আংশিক হলেও দাওয়াতি বিপ্লব ছিলো।
পারিপার্শ্বিক বাস্তবতায় নিরংকুশ শরীআহ্ বলতে ইসলামপন্থার উজর থাকতে পারে, কিন্তু দাওয়াতি অপরচুনিটি কাজে লাগানো যেতো দারুণভাবে।
শরীআহ্’র পূর্বে একটা স্মার্ট দাওয়াতি বয়ানের অবকাশ ছিলো রাজনৈতিক কোলাহলের ভেতরেই। সেটা করতে জানলেন না ইসলামপন্থীরা। নব্য সেক্যুলার মার্কিনপন্থীরা ঠিকই তাদের সুক্ষ্ম ‘দাওয়াত’ প্রতিষ্ঠা করে ফেলছে জুলাই সনদে।
কেন এমন লেজেগোবরে অবস্থা হলো ইসলামপন্থীদের? কারণ একটাই, শর্টকাট ক্ষমতায় যাওয়ার নেশা।
সকল দলের হে তরুণ প্রজন্ম! গঠনমূলক সংগ্রাম অব্যাহত রাখো সাময়িক ক্ষমতার মোহকে বাদ দিয়ে। ক্ষণিকের ভুল শতাব্দীর মাশুল! গণতন্ত্র ইসলামপন্থার সুস্বাদু মরণফাঁদ!!