নিজস্ব প্রতিবেদক[ Daily Crisis BD]
স্বাধীনতার পর থেকে ধারাবাহিকভাবে বুদ্ধিজীবী ও দেশপ্রেমিক ব্যক্তিদের হত্যা করা হয়েছে, যা দেশের রাষ্ট্রীয় সক্ষমতা ও সামাজিক কাঠামোকে গভীরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে এমন মন্তব্য করেছেন বিশিষ্ট মিডিয়া সম্পাদক ও পরিচালক জহিরুল ইসলাম।
এক প্রতিক্রিয়ায় জহিরুল ইসলাম বলেন, “একটি জাতির মেরুদণ্ড হলো তার চিন্তাশীল মানুষ, বুদ্ধিজীবী ও দেশপ্রেমিক নাগরিকরা। স্বাধীনতার পর বিভিন্ন সময়ে পরিকল্পিতভাবে এই শ্রেণির মানুষদের হত্যা করে দেশকে বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে পঙ্গু করার চেষ্টা করা হয়েছে।” তিনি বলেন, এসব হত্যাকাণ্ড শুধু ব্যক্তি বা পরিবারকেই ক্ষতিগ্রস্ত করেনি, বরং রাষ্ট্র পরিচালনায় জবাবদিহি, নৈতিকতা ও দূরদর্শিতার ঘাটতি তৈরি করেছে।
তার মতে, রাজনৈতিক অস্থিরতা, ক্ষমতার দ্বন্দ্ব এবং চরমপন্থার সুযোগে অনেক সময় মতপ্রকাশে সক্রিয় মানুষরা লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছেন। “অনেক ঘটনায় বিচার প্রক্রিয়া দীর্ঘসূত্রতায় পড়েছে, আবার কিছু ঘটনায় ন্যায়বিচার নিশ্চিত না হওয়ায় সমাজে ভয় ও নীরবতা তৈরি হয়েছে,”—যোগ করেন তিনি।
জহিরুল ইসলাম আরও বলেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সাংবাদিক, শিক্ষক, লেখক ও চিন্তাবিদদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব। “মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও ভিন্নমতকে সুরক্ষা না দিলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম একটি ভীতিপ্রবণ সমাজ উত্তরাধিকার হিসেবে পায়,”—মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি অতীতের হত্যাকাণ্ডগুলোর স্বচ্ছ তদন্ত, দোষীদের বিচারের আওতায় আনা এবং বুদ্ধিজীবী ও গণমাধ্যমকর্মীদের নিরাপত্তা জোরদারের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, ইতিহাসের এই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে রাষ্ট্র ও সমাজকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে, যাতে আর কোনোভাবেই মেধা ও বিবেকের কণ্ঠ রুদ্ধ না হয়।
বিশ্লেষকদের মতে, জহিরুল ইসলামের এই মন্তব্য আবারও স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড ও তার দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে।
স্বাধীনতার পর বুদ্ধিজীবী ও দেশপ্রেমিক হত্যাকাণ্ড দেশকে পঙ্গু করেছে: জহিরুল ইসলাম
Previous Articleহাদি হত্যা: ফয়সালের স্ত্রীসহ তিনজন আবারও রিমান্ডে
Related Posts
ডেইলিক্রাইসিস বিডি
আপডেটের জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
আমাদের কাছ থেকে বাংলাদেশের
সর্বশেষ খবর জানতে সাবস্ক্রাইব করুন
Office Address
29, Toyenbee Circular Road (5th Floor),
Dainik Bangla Moore,
Motijheel C/A, Dhaka-1000