গত ৯ জানুয়ারি দেশের ৬১ জেলায় একযোগে ১৮ হাজার ৩৮৫টি শূন্য পদের বিপরীতে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
পরীক্ষাকালীন সময়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করে প্রশ্নফাঁস ও সংঘবদ্ধ জালিয়াতির ঘটনা প্রকাশ্যে আসে।
এই প্রশ্নফাঁস ও জালিয়াতি চক্রের সঙ্গে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের একজন বিশেষ সহকারী পদমর্যাদার ব্যক্তির ড্রাইভারের সম্পৃক্ততার অভিযোগ প্রকাশ পেয়েছে।
জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত সকলকে রাজনৈতিক পরিচয় বা পদমর্যাদা নির্বিশেষে দ্রুত গ্রেফতার এবং সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার ফলাফল পুনর্মূল্যায়নের দাবি জানাচ্ছি।
সম্ভবত আপাদমস্তক দুর্নীতিবাজ লোকজন এই পরীক্ষার দায়িত্বে আছে। তারা সরকারের শেষ সময়ে এসে লুটেপুটে খাওয়ার ধান্দায় আছে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আছে প্রফেসর ইউনুসের স্ত্রীর চিকিৎসক কোটায় উপদেষ্টা হওয়া সিপিবিকা বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার।
কিন্তু গণমাধ্যমে দেখেন কোন আওয়াজ নাই! এস্টাব্লিশমেন্ট কিছুই বলে না। আর ছাত্র উপদেষ্টারা কিছু করলেই হইচই রব উঠত।