ঢাকা, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সড়কে বিভিন্ন পরিবহন থেকে সমঝোতার ভিত্তিতে টাকা নেওয়া হলে সেটিকে চাঁদা বলা যায় না—তবে কাউকে বাধ্য করে টাকা আদায় করলে সেটিই চাঁদা। এমন মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও যোগাযোগ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
বৃহস্পতিবার বিকেলে সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, “সড়কে পরিবহনের চাঁদা যেটা বলা হয়, সেভাবে আমি চাঁদা দেখি না। মালিক সমিতি, শ্রমিক সমিতি আছে—তারা তাদের কল্যাণে এটা ব্যয় করে। এটা অলিখিত বিধির মতো। চাঁদা আমি সেটাকে বলতে চাই, যেটা কেউ দিতে চায় না বা বাধ্য করা হয়।”
তিনি আরও বলেন, মালিক সমিতি নির্দিষ্ট হারে টাকা তুলে মালিকদের কল্যাণে ব্যবহার করতে চায়। কতটুকু ব্যবহার হয় তা নিয়ে বিতর্ক থাকতে পারে, তবে সমঝোতার ভিত্তিতেই এ প্রক্রিয়া চলে।
মন্ত্রী রবিউল আলম বলেন, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনসহ বিভিন্ন সংগঠন সমঝোতার ভিত্তিতে অর্থ সংগ্রহ করে থাকে। ক্ষমতায় যে দল থাকে, তাদের শ্রমিক সংগঠনের প্রভাব কিছুটা থাকে—এটিও বাস্তবতা। তবে বিষয়টিকে সরকার চাঁদা হিসেবে দেখছে না।
তিনি জানান, যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ স্থানে বাইরে থেকে কেউ চাপ প্রয়োগ করে চাঁদা আদায় করতে পারবে না। তবে মালিকদের মধ্যে সমঝোতার ভিত্তিতে অর্থ লেনদেন হলে সেখানে কেউ বঞ্চিত হচ্ছে কি না বা অপব্যবহার হচ্ছে কি না—তা খতিয়ে দেখা হবে।
সড়কে যানজট প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, অনেক মহাসড়কের ওপর বাজার বসে যাওয়ায় যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। এগুলোকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
আসন্ন ঈদে বাড়ি ফেরা নিয়ে তিনি বলেন, ছুটি ছোট হলে চাপ বেশি পড়ে। গতবার ছুটি বড় থাকায় সুবিধা হয়েছে। এবারও একই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে এবং ভোগান্তি কমাতে নতুন পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয় বিবেচনা করা হবে।