রাষ্ট্রপতি বলেন, ইরানের ক্ষতিগ্রস্ত অনেক স্থাপনাই আর পুনর্নির্মাণযোগ্য নয়, এবং প্রস্তাব করা হয়েছে যে এই স্থানটিকে জায়নবাদী শাসন ও যুক্তরাষ্ট্রের অপরাধের একটি জাদুঘর ও ঐতিহাসিক প্রমাণ হিসেবে রাখা হোক, যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম দেশের বৈজ্ঞানিক প্রতিরোধের সাক্ষী হতে পারে এবং প্রধান গবেষণা কেন্দ্রটিকে একটি নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হবে।
সাম্প্রতিক যুদ্ধের প্রেক্ষিতে ইরানে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার অবকাঠামোগত ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে তেহরান ও ইসফাহানের মতো প্রধান প্রদেশগুলোতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবন ও গবেষণাগার পুনর্গঠনের কাজ চলছে। দেশটির শিক্ষামন্ত্রী আলি রেজা কাজেমির তথ্যমতে, ক্ষতিগ্রস্ত ১ হাজার ৩০০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৭৭৫টির মেরামত কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং বাকি কাজ ২০২৬ সালের অক্টোবরের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
যুদ্ধের ফলে শুধু ভবন নয়, বরং গবেষণা কেন্দ্র, বিদ্যুৎ ও পানিশোধনাগার এবং ডিজিটাল অবকাঠামোও ধ্বংস হয়ে গেছে। সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর মতে, এই পূর্ণাঙ্গ অবকাঠামো আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে কয়েক বছর সময় লাগতে পারে।