প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা আবদুল হালিম বলেন, “দেশের পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে জামায়াতের সকল পর্যায়ের জনশক্তিকে দেশ ও জাতির সেবায় জান ও মালের কুরবানির পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। দেশপ্রেমে উজ্জীবিত হয়ে মানুষের সেবায় ভূমিকা পালন করতে হবে। আর্থিক কুরবানির মাধ্যমে সংগঠনকে মজবুত করতে হবে। সাধারণ মানুষের কল্যাণেও অর্থ ব্যয় করতে হবে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের প্রতি নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের সমর্থনকে ধরে রাখার জন্য সাংগঠনিক দায়িত্ব পালনে সময়, শ্রম ও অর্থের কুরবানি বৃদ্ধি করতে হবে।”
প্রাক্তন জনশক্তির উদ্দেশে মাওলানা আবদুল হালিম বলেন, “ছাত্র জীবনের পরিশ্রম, অভিজ্ঞতা ও ত্যাগ-কুরবানিকে বৃহত্তর আন্দোলনের মজবুতি অর্জনে কাজে লাগাতে হবে। রুকনিয়াতের সর্বোচ্চ মানে এগিয়ে আসতে হবে। পরিবেশ-পরিস্থিতি সম্পর্কে সজাগ ও সচেতন হতে হবে। মনে রাখতে হবে আমাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি অর্জন ও ন্যায়ভিত্তিক ইনসাফের বাংলাদেশ গড়ে তোলা। জ্ঞান ও আমলের দিক থেকে অগ্রগামী হতে হবে। সংগঠন পরিচালনার মৌলিক ধারণা অর্জন করতে হবে। কবিরা গুনাহ থেকে বেঁচে থাকতে হবে। ব্যক্তিগত দুর্বলতা দূর করতে হবে। শহীদি এই কাফেলায় আমরা সবাই দীনি ভাই, দুনিয়ার কোনো স্বার্থ ও চাকচিক্য আমাদের যেন আলাদা না করতে পারে। আমরা একে অপরকে দোষারোপ না করে সংশোধিত হয়ে কাজ করবো ইনশাআল্লাহ।”