পশ্চিমা দেশগুলোর নিষেধাজ্ঞা ও ভূ-রাজনৈতিক চাপের মুখে, মস্কো ও বেইজিং দুই দেশই যুদ্ধক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের পরিধি বাড়াচ্ছে। রাশিয়ার যুদ্ধক্ষেত্রের বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং চীনের দ্রুত বর্ধনশীল AI অবকাঠামো ও কম্পিউটিং পাওয়ারের সংমিশ্রণে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের চালকবিহীন যুদ্ধ যান ও স্বয়ংক্রিয় লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণী ব্যবস্থা তৈরি করা হচ্ছে।
বেইজিং ও মস্কোর মধ্যে উন্নত সাবমেরিন প্রযুক্তি (যেমন চীনের ‘Type 041’ হাইব্রিড-নিউক্লিয়ার সাবমেরিন প্রজেক্টে রুশ কারিগরি সহায়তা) বিনিময় হচ্ছে। এছাড়াও তারা যৌথ সাবমেরিন টহল এবং সোনার (Sonar) ডেটা শেয়ারিং বাড়িয়েছে।
রাশিয়া তাদের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা নিখুঁত করতে চীনের উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন স্যাটেলাইট গোয়েন্দা তথ্য এবং রিয়েল-টাইম গ্লোবাল ফাইন্ড-ফিক্স আর্কিটেকচার ব্যবহার করছে।
আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ইঞ্জিন, ভারী লিফট হেলিকপ্টার (Heavy Lift Helicopters) এবং সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল সিস্টেমের মতো বড় প্রকল্পগুলোতে দুই দেশ প্রযুক্তি ভাগাভাগি ও যৌথ উৎপাদন বিবেচনা করছে।