বিশেষ সূত্রে জানা গেছে, আগামী ৭ নভেম্বর দেশে ফেরার কথা রয়েছে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দীর্ঘ সময় প্রবাসে থাকার পর তাঁর প্রত্যাবর্তন রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলো ও আলোচনার জন্ম দিচ্ছে।
তিনি দীর্ঘদিন ধরে জনসভা, প্রতিনিধি বৈঠক ও দলের সাংগঠনিক কাজে বড় ভূমিকা পালন করে আসছেন। তবে তাঁর রাজনৈতিক পথ সহজ ছিল না কারণ তাঁর বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক মামলা, যেগুলো রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ও আইনগত দৃষ্টিকোণ থেকে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনায় রয়েছে।
একদিকে আছে গ্রেপ্তার ও কারাবাসের ঘটনা, অন্যদিকে রয়েছে মামলার দীর্ঘ খেলা, আপিল ও রায়।
২০০৯ সালে দায়ের হওয়া এক মামলায় তার বিরুদ্ধে বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগ আনা হয়; পরবর্তীতে ২০১৬ সালে ওই মামলায় বিচার ও রায় হয়।
২০০৪ সালের ঢাকা গ্রেনেড হামলা মামলায় ২০১৮ সালের রায়ে জীবনের দণ্ড দেওয়া হলেও পরবর্তীতে হাইকোর্ট সেই রায় বাতিল করে মুক্তি ঘোষণা করে।
ছাড়াও দান তহবিল ও সংশ্লিষ্ট মামলায় দণ্ড দেওয়া হয়েছিল, আপিল শেষে মুক্তি পাওয়া হয়েছে।
মামলাগুলি চলাকালীন সময়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এসব মামলা শুধু আইনগত ঘটনা নয় পাশাপাশি তা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস‑ ও দলীয় রাজনীতির রূপায়ণেও গুরুত্ব বহন করেছে। অনেকেই মনে করছেন, মামলা‑মালিকারা রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের বড় বাধা হিসেবে কাজ করেছে। তবে সংশ্লিষ্ট আদালত ও আপিল বিভাগ আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করেছে এবং অনেক মামলায় রায় পরিবর্তিত হয়েছে বা মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তন কি আসতে চলেছে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে? দলীয় সূত্র বলছে, এটি হতে পারে একটি “নতুন সূর্যোদয়” যেখানে তিনি দলের নেতৃত্ব দিয়ে থাকবেন, আবার রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন এটি ভবিষ্যতে আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ও দলভিত্তিক পুনর্গঠনের গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে উঠতে পারে।
৭ নভেম্বর শুধুই একটি দিন নয়; হয়তো এটি হয়ে উঠছে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পুনরায় নির্মাণ ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার পুনরুজ্জীবনের এক সম্ভাব্য দিন।