‘বন ও বৃক্ষ সংরক্ষণ অধ্যাদেশ, ২০২৬’ অনুসারে গাছের ক্ষতি করলে সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকা জরিমানা; অবৈধ গাছ কর্তনে সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা জরিমানা
ঢাকা, বাংলাদেশ — ৭ জানুয়ারি ২০২৬
রাষ্ট্রপতি নতুন ‘বন ও বৃক্ষ সংরক্ষণ অধ্যাদেশ, ২০২৬’ জারি করেছেন। এতে বলা হয়েছে, গাছে পেরেক লাগানো বা ধাতব বস্তু ব্যবহার করে ক্ষতি করলে সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হবে। অবৈধভাবে গাছ কর্তনের ক্ষেত্রে জরিমানার সর্বোচ্চ সীমা এক লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- অধ্যাদেশের উদ্দেশ্য: গাছ ও বন সংরক্ষণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া এবং বাণিজ্যিক উদ্দেশ্য ছাড়া গাছের ক্ষতি রোধ করা।
- বিধান: বাণিজ্যিক উৎপাদনের উদ্দেশ্য ছাড়া গাছে পেরেক বা অন্য ধাতব বস্তু ব্যবহার করে ক্ষতি করা যাবে না। এ ধরনের আচরণ করলে আদালত সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা করতে পারবে।
- কর্তৃপক্ষ ও অনুমোদন: বন সংরক্ষণ কর্মকর্তার অনুমোদন সাপেক্ষে ‘বন আইন, ১৯২৭’-এর ৪ ও ৬ ধারার আওতাভুক্ত বন, রাষ্ট্রীয় বন, সামাজিক বন, সরকারি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গাছ কর্তন করা যাবে। প্রধান বন সংরক্ষক বিভাগীয় বন কর্মকর্তাদের বৃক্ষ সংরক্ষণ কর্মকর্তার দায়িত্ব প্রদান করবেন।
- ব্যক্তি মালিকানাধীন জমি: নির্ধারিত শর্ত পূরণ করলে ব্যক্তি মালিকানাধীন জমিতে অবস্থিত কর্তনযোগ্য গাছ কাটার অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। আবেদন করতে হবে গাছের প্রজাতি, সংখ্যা, আনুমানিক উচ্চতা, বুক সমান উচ্চতায় বেড়ের পরিমাপ ও কর্তনের কারণ উল্লেখ করে।
- আবেদনের প্রক্রিয়া: সরেজমিন যাচাই ও পরিদর্শনের পর ৩০ দিনের মধ্যে লিখিত সিদ্ধান্ত দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
- জরিমানা: অধ্যাদেশে অবৈধভাবে গাছ কর্তনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা ধার্য করা হয়েছে।