ঢাকা | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সাহরি ও ইফতার রোজার দুই গুরুত্বপূর্ণ আমল। নবী করিম (সা.) সাহরি খাওয়াকে সুন্নত ও বরকতময় অভ্যাস হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং ইফতার শীঘ্র সম্পন্ন করার জন্য উৎসাহিত করেছেন।
সাহরি খাওয়া সুন্নত হলেও ফরজ নয়; এটি রোজাকে বরকতপূর্ণ করে। নবী করিম (সা.) বলেছেন, “রাত্রির শেষ মুহূর্তে সাহরি খাও।” কোরআন মজিদের ২য় সূরা বাকারা ১৮৭ নম্বর আয়াতে উল্লেখ আছে, “পানাহার কর যে পর্যন্ত প্রত্যুষে কালো রেখা থেকে সাদা রেখা প্রকাশ হয়।”
ইফতার রোজার সময় শীঘ্র করা সুন্নত এবং আল্লাহর নিকট প্রিয়। হাদিসে বর্ণিত আছে, যে ব্যক্তি রোজাদারকে ইফতার করাবে, তার সকল গোনাহ মাফ হবে এবং রোজাদারের সওয়াবের সমপরিমাণ সওয়াব লাভ করবে। সাহরি ও ইফতার বৈজ্ঞানিক ও স্বাস্থ্যসম্মত দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ। এ দুটি অভ্যাস রোজাদারের শৃঙ্খলাবদ্ধ জীবনধারার অংশ এবং ইসলামের সুন্নত অনুসরণের প্রমাণ।