হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, আওয়ামীলীগের সময়ে পরিসংখ্যানকে বিকৃত করে জনগণের কাছে অর্থনীতির প্রকৃত চিত্র লুকানো হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে অন্তর্বর্তী সরকার কিছু পদক্ষেপ নিয়েছিল। মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি প্রচলন করেছিল, ডলারের দাম নিয়ন্ত্রণের জন্য বাজারভিত্তিক বিনিময় হার চালু করেছিল এবং অ্যাসেট কোয়ালিটি রিভিউ চালু করেছিল। ব্যাংকগুলোতে জবাবদিহিতা নিশ্চিতে ব্যাংক রেজুলেশন অধ্যাদেশ ২০২৫ করা হয়েছিল যা বিএনপি সরকার ডিস্টর্ট করেছে।
তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার অর্থনৈতিক প্রশস্তির একটি স্বরূপ জনগণের সামনে উপস্থাপন করেছে, বিএনপি সরকার তা থেকে দূরে সরে এসেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর যেভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, তাতে যারা অর্থনীতি নিয়ে খোঁজ রাখেন, তাদের মধ্যে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক ইসলামী ব্যাংকের যে বিষয়গুলো আমাদের নজরে পড়ছে, সেটিও অর্থনীতির জন্য স্বস্তিদায়ক নয়। আমাদের কর-জিডিপি অনুপাত এখনো এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের নিম্নতম পর্যায়ে; মাত্র ৬.৭%। সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন কাঠামো ২০১৫ সালের পর আর পুনর্বিবেচনা করা হয়নি।