কুতুবদিয়া (কক্সবাজার) | প্রকাশ : ৩০ মার্চ ২০২৬
কক্সবাজারের কুতুবদিয়া উপজেলায় ১৯১৭ সালে থানা প্রতিষ্ঠিত হলেও ১০৮ বছর পার হওয়ার পরও থানায় লাশ রাখার জন্য আলাদা কোনো ঘর নেই। ফলে লাশ উদ্ধার বা সংরক্ষণের ক্ষেত্রে পুলিশ ও স্থানীয় মানুষদেরকে বড় ধরনের ঝুঁকি ও অপ্রয়োজনীয় সময় ও অর্থ খরচ করতে হয়।
কুতুবদিয়া থানার পুরাতন ভবন ভেঙে তিনতলা বিশিষ্ট নতুন ভবন নির্মাণ করা হলেও সেখানে লাশঘরের জন্য কোনো ব্যবস্থা করা হয়নি। তাই কোনো লাশ পাওয়া গেলে থানার নিচতলায় খোলা ফ্লোরে রাখতে হয়, যা শেয়াল ও কুকুরের আক্রমণের ঝুঁকিও তৈরি করে। রাতভর লাশ পাহারা দিতে হয় পুলিশ বা লাশের স্বজনদের।
থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাহবুবুল আলম বলেন, দেশের সব থানাতেই লাশঘর থাকা উচিত। কুতুবদিয়া থানায় লাশ রাখার মতো স্থায়ী ব্যবস্থা নেই। উদ্ধারকৃত লাশ ময়নাতদন্তের জন্য প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূরের জেলা সদর হাসপাতালে পাঠাতে হয়, যা সময় এবং অর্থ উভয়ই নষ্ট করে। বিকেল বা রাতের সময়ে লাশ পাঠানোও প্রায় অসম্ভব।
ওসি আরও জানান, এই বিষয়টি খুব গুরুত্বের সঙ্গে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আনা হবে, যাতে উপজেলায় ময়নাতদন্ত ও লাশ সংরক্ষণের উপযুক্ত ব্যবস্থা নিশ্চিত করা যায়।