গাজা উপত্যকার অত্যন্ত ক্ষুদ্র ও সীমিত এলাকায় (মূল ভূখণ্ডের একটি বড় অংশ সামরিক জোন বা বিপজ্জনক এলাকা ঘোষণার ফলে) প্রায় ২১ লক্ষ মানুষের নির্বাসন বা স্থানান্তর পরিস্থিতিকে চরম মানবিক বিপর্যয়ের দিকে নিয়ে গেছে।
অধিকাংশ মানুষ তাঁবু বা অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে গাদাগাদি করে বসবাস করছেন। প্রায় ৮০ শতাংশ আশ্রয়স্থল অস্থায়ী এবং অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ণ, যা আগুন লাগার ঝুঁকি এবং রোগের বিস্তারের জন্য চরম ঝুঁকিপূর্ণ।
জনবহুল এলাকায় উপযুক্ত স্যানিটেশন বা পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকায় চর্মরোগ, পানিবাহিত রোগ এবং পোকামাকড়ের প্রাদুর্ভাব বাড়ছে। হামলায় স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলো ধ্বংস হওয়ায় চিকিৎসাসেবা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
নতুন করে এলাকা খালি করার নির্দেশ বা সামরিক অভিযানের ফলে মানুষ বারবার স্থানান্তরিত হচ্ছে, যার ফলে স্থায়ী কোনো নিরাপত্তা নেই। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো হাজার হাজার মানুষ নিখোঁজ এবং উদ্ধারকাজ অত্যন্ত সীমিত।
এই পরিস্থিতি খাদ্য, আশ্রয়, চিকিৎসা এবং নিরাপত্তার অভাবের কারণে একটি দীর্ঘস্থায়ী ও নিরাময় অযোগ্য মানবিক সংকটের জন্ম দিয়েছে।