যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump তিন দিনের সরকারি সফরে চীনে পৌঁছেছেন। গত এক দশকে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো শীর্ষ নেতার এটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চীন সফর হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বুধবার এয়ারফোর্স ওয়ানে করে বেইজিং পৌঁছান ট্রাম্প। সফরকালে তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট Xi Jinping-এর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেবেন। বৈঠকে বাণিজ্য, প্রযুক্তি, তাইওয়ান ইস্যু এবং মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
মূলত গত মার্চে এ সফর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ইরানে হামলার প্রেক্ষাপটে তা পিছিয়ে যায়। বিশ্লেষকদের মতে, ইরান যুদ্ধ এবং এর সমাধানে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে চীনের ক্রমবর্ধমান ভূমিকা এবারের আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠতে পারে। তবে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার আগে ট্রাম্প বলেন, ইরান ইস্যুতে তার শি জিনপিংয়ের সহায়তার প্রয়োজন নেই।
সফরের আগে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প জানান, তিনি চীনের বাজার বড় মার্কিন প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর জন্য আরও উন্মুক্ত করার আহ্বান জানাবেন। এ সফরে যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের নির্বাহীরাও তার সফরসঙ্গী হয়েছেন।
অন্যদিকে, বেইজিংয়ের দৃষ্টিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে গত অক্টোবরের ‘বাণিজ্য যুদ্ধবিরতি’ চুক্তির মেয়াদ বাড়ানো। ওই চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে শুল্ক বৃদ্ধিকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া উত্তেজনা সাময়িকভাবে কমেছিল।
২০১৭ সালের পর এই প্রথম বেইজিং সফরে গেলেন ট্রাম্প। সফরের সূচিতে রয়েছে গ্রেট হল অব দ্য পিপলে আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা এবং ঝোংনানহাই পরিদর্শন, যেখানে চীনের শীর্ষ নেতৃত্ব বসবাস ও কাজ করেন।
সূত্র: BBC