ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের প্রস্তাব এবং সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির অনুমোদনের পর পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের কালিবাফকে চীনের বিষয়াদি তদারকির জন্য বিশেষ প্রতিনিধি নিয়োগ করা হয়েছে। পূর্বে নিহত জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা আলি লারিজানি এই দায়িত্ব পালন করতেন।
কালিবাফ একাধারে চীনের সঙ্গে সম্পর্কের তদারকি করছেন এবং অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার ক্ষেত্রেও তিনি ইরানের প্রধান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভূমিকা রাখছেন। বিশ্লেষকদের মতে, একই ব্যক্তির হাতে এই দুই গুরুদায়িত্ব থাকায় এটি বেইজিংয়ের কাছে একটি স্পষ্ট বার্তা যে, ইরান যেমন ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যেতে প্রস্তুত, তেমনি চীনের সঙ্গেও সম্পর্ক আরও গভীর করতে আগ্রহী
নিজের অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের কাছে ফাইলটি হস্তান্তর করে তেহরান দেখাতে চায় যে, বেইজিংয়ের সঙ্গে সহযোগিতা এখন ইসলামী প্রজাতন্ত্রের বৃহত্তর নীতির একটি কেন্দ্রীয় অংশ।
এর আগে চীন ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত ২৫ বছর মেয়াদী একটি দীর্ঘমেয়াদী সহযোগিতা চুক্তি রয়েছে। কালিবাফের এই নিয়োগের ফলে ওই চুক্তির বাস্তবায়ন এবং অন্যান্য কৌশলগত দিকগুলো আরও গতি পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।