ফার্স সংবাদ সংস্থা সূত্রের বরাত দিয়ে ইরান-মার্কিন খসড়া চুক্তির বিস্তারিত প্রকাশ করেছে। এ সম্পর্কে যা জানা গেছে তা হলো:
১। বিদেশে জব্দকৃত সম্পদ থেকে তেহরানকে অবিলম্বে ১২ বিলিয়ন ডলার প্রদান করা হবে।
২। লেবাননে যুদ্ধবিরতি এবং কিছু বিদেশি সম্পদ অবমুক্ত করার পর নিষেধাজ্ঞা ও পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করা হবে।
৩। পারমাণবিক স্থাপনা ভেঙে ফেলা এবং ইরানের পারমাণবিক উপকরণ নিষ্পত্তির কোনো পরিকল্পনা চুক্তিতে নেই।
৪। চুক্তিতে এমন কোনো শর্ত নেই যে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের ওপর টোল আদায়ের অধিকার তেহরানের থাকবে না।
অপরদিকে ট্রাম্প বলেছেন যে, ইরান চুক্তির বেশিরভাগ বিষয়ে ইতোমধ্যেই ঐকমত্যে পৌঁছানো হয়ে গেছে। তিনি আরও বলেন যে, আজ সহযোগীদের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।
তবে তার মতে, ইরানকে অবশ্যই তার পারমাণবিক অস্ত্র সম্পূর্ণরূপে পরিত্যাগ করতে সম্মত হতে হবে এবং
এই চুক্তিতে হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ারও ব্যবস্থা রয়েছে, যেখান দিয়ে যাতায়াত হবে টোলমুক্ত।