ঢাকা, ০৫ জুন ২০২৬
বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যকার বিদ্যমান ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে সাংস্কৃতিক সম্পদ সুরক্ষাবিষয়ক একটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে।
আজ শুক্রবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের প্রিমিয়াম লাউঞ্জে আয়োজিত এক আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পক্ষে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী জনাব নিতাই রায় চৌধুরী এবং তুরস্কের পক্ষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান নিজ নিজ সরকারের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব ড. খলিলুর রহমান এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মিজ্ শামা ওবায়েদ ইসলাম এমপি। এ ছাড়া উভয় দেশের সংস্কৃতি ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং তুরস্কের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল উপস্থিত ছিলেন।
এই সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ, প্রত্নসম্পদ রক্ষা, জাদুঘর ব্যবস্থাপনা, মহাফেজখানার নথি ও গ্রন্থাগার সামগ্রী সংরক্ষণ, ডিজিটাইজেশন এবং পুনরুদ্ধার কার্যক্রমে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার পথ উন্মুক্ত হলো।
১৯৮১ সালের সাংস্কৃতিক চুক্তি এবং ২০১২ সালের শিক্ষা, বিজ্ঞান, সংস্কৃতি, শিল্প, প্রেস ও তথ্য, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সহযোগিতা কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় এই নতুন সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।
সমঝোতা স্মারকের আওতায় উভয় দেশ ইউনেস্কোর ১৯৭০ সালের কনভেনশনের আলোকে সাংস্কৃতিক সম্পদের অবৈধ আমদানি, রপ্তানি ও মালিকানা হস্তান্তর প্রতিরোধে যৌথভাবে কাজ করবে। পাশাপাশি প্রত্নতাত্ত্বিক অনুসন্ধান, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, দুর্যোগঝুঁকি হ্রাস এবং সাংস্কৃতিক সম্পদের তালিকাভুক্তি ও নথিবদ্ধকরণে সহযোগিতা বৃদ্ধি করা হবে।
এই চুক্তি দুই দেশের সাংস্কৃতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে একটি নতুন মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।