ইসলামাবাদ চুক্তি লঙ্ঘনের কারণে বিশ্ব অর্থনীতিকে ভয়াবহ সংকটের মুখে পড়তে হচ্ছে, যার সবচেয়ে বড় মূল্য দিতে হচ্ছে আকাশছোঁয়া জ্বালানি তেল ও গ্যাসের দাম এবং বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খল ভেঙে পড়ার মাধ্যমে।পাকিস্তান ও কাতারের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত ৬০ দিনের এই যুদ্ধবিরতি চুক্তিটি ভেঙে যাওয়ার পর বৈশ্বিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করে।
যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারকের অসংখ্য ধারা লঙ্ঘন এবং হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ করার ইরানের সিদ্ধান্ত শুধু একটি রাজনৈতিক চুক্তির সমাপ্তিই নয় এটি এমন একটি ঘটনা যা আবারও ‘ভূ-রাজনৈতিক ঝুঁকি’-কে বিশ্ব অর্থনীতিকে প্রভাবিতকারী অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদানে পরিণত করতে পারে।
জ্বালানি পরিবহন পথের ওপর যেকোনো হুমকি তাৎক্ষণিকভাবে তেলের দাম, পরিবহন খরচ, বীমার হার, শেয়ার বাজার এবং এমনকি দেশগুলোর মুদ্রাস্ফীতির হারেও প্রতিফলিত হয়।