গুমের বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সেনাবাহিনীর ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারের এক ঐতিহাসিক সুযোগ এসেছে। যা কোনোভাবেই হাতছাড়া করা যাবে না। সেনাবাহিনীর প্রতি আহ্বান থাকবে বিচার প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে আপনারা যে সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছেন, তা আরও প্রসারিত করুন। আমরা জনগণ আপনাদের সাথে আছি। প্রতিটি পদক্ষেপে আপনাদের সাথেই থাকবো।
আমরা দেখতে পাচ্ছি এই বিচার চলাকালীন সময়ে কিছু সুযোগসন্ধানী চক্র জনগণ ও সেনাবাহিনীকে মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে। সোশ্যাল মিডিয়াসহ বিভিন্ন জায়গায় সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে উস্কানি দিয়ে নিজেদের ক্ষুদ্র স্বার্থ হাসিল করার অপচেষ্টা করছে। দেশপ্রেমিক বাহিনী ও সাধারণ মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে হবে। কারণ আমাদের লড়াই কোনো বাহিনীর বিরুদ্ধে নয়, বরং সেই মনস্তত্ত্বের বিরুদ্ধে, যারা জনগণকে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের শত্রু বানায়।
শুধু সেনাবাহিনী নয়, পুলিশের কাঠামো দুর্বল করা হয়েছে, র্যাবের নামে নিরাপত্তার পরিবর্তে ভয় ছড়ানো হয়েছে। একসময় যে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা জনগণের গর্ব ছিল, আজ সেটি শঙ্কার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
গুম, খুন, শাপলা চত্বরের রক্ত, আর জুলাইয়ের নিষ্ঠুর হত্যাযজ্ঞ, এসবের ক্ষত আমরা এখনও বয়ে বেড়াচ্ছি। সুষ্ঠু বিচারের মাধ্যমে আমরা এই ক্ষত কাটিয়ে ওঠার প্রক্রিয়া শুরু করতে পারবো। পাশাপাশি জনগণ এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে যে দীর্ঘদিনের দূরত্ব ও অনাস্থা তৈরি হয়েছে, তা আমরা কমিয়ে এনে নতুন পথচলা শুরু করতে পারবো।আওয়ামী লীগের ওপর যে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে ছয়টি মানবাধিকার সংস্থা নাকি এই বিষয়ে লিখিত আবেদন করেছে যেন এ নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া হয়। এবং এই মানবাধিকার সংস্থাগুলোর কথা বিবেচনায় নিয়ে ডঃ ইউনুস সরকার আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে এ নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে পারে।
ছটি মানবাধিকার সংস্থা যে আওয়ামী লীগের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার লিখিতভাবে দাবি উত্থাপন করেছে এবং জমা দিয়েছে এই ঘটনাটা অথেন্টিক এবং সম্ভবত চট্টগ্রামের এই আবেদন জমা পড়েছে ।
আওয়ামী লীগের আমলে আমরা দেখেছি এই সমস্ত মানবাধিকার সংস্থা গুলো কারা চালায়, এই মানবাধিকার সংস্থাগুলো সর্বতোভাবে তৈরি হয়েছে সিলেক্টিভ মানবাধিকার চর্চার জন্য । যাদের প্রধানতম কাজ আওয়ামী লীগ বিপদে পড়লে তাদেরকে ছাকনি হয়ে বিপদ থেকে ফিরিয়ে নিয়ে আসা। কারণ নুন খায় যার গান গায় তার।
এই মানবাধিকার সংস্থাগুলোকে আপনি পান নাই আপনি পাবেন না পিলখানা হত্যাকাণ্ডে। এই মানবাধিকার সংস্থাগুলো একটু শব্দ করে নাই শাপলা হত্যাকাণ্ডে । এই মানবাধিকার সংস্থাগুলোর টিকিটাও আমরা দেখতে পাই নাই আয়না ঘর এবং গুম খুন ক্রসফায়ারে!
জুলাই মাসে মাত্র ২১ দিনে যখন দুই হাজার মানুষকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে এই ছয়টি মানবাধিকার সংস্থার কোন সংস্থাটি বিচারের জন্য লিখিত আবেদন করেছে আমি জানতে চাই । আমি জানতে চাই এই ছয়টি মানবাধিকার সংস্থার নাম কি। আমি জানতে চাই কিভাবে মানবাধিকার নাম দিয়ে ব্যবসা করে বেড়ায় এরা। আমি জানতে চাই আওয়ামী লীগের কাছ থেকে এরা কত টাকা পেয়েছে। আমি জানতে চাই বাংলাদেশের মাটিতে ফিরিয়ে আনার জন্য এই ছয়টি মানবাধিকার সংস্থার সাথে কত বিলিয়ন ডলার লেনদেন হয়েছে?
আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের মাটিতে ফিরে এসে বাংলাদেশের তরুণ যুবা শিশুকে যখন গুলি করে হত্যা করবে এই ছয়টি মানবাধিকার সংস্থা তারা, তাদের রক্ষা করার জন্য আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কোন লিখিত জমা দিবে কিনা? এই মৃত্যুর দায় তারা নিবে কিনা? জুলাই হত্যার দায় এ ছয়টি মানবাধিকার সংস্থা নিবে কিনা?
বাংলাদেশে আওয়ামী লীগকে রাজনীতি করতে হলে আবার নতুন করে রক্তের উপর দাঁড়িয়েই করতে হবে তবে এবার রক্ত এক পক্ষের ঝরবেনা!!! কসম!!