আমরা হয়তো গনভোট শেষ করে, জাতীয় নির্বাচন করে।
একটা পর্যায়ে যাবো। কিন্তু আমরা কি কখনো চিন্তা করেছি আমাদের দেশে এতো খুন রাহাজানি হয় কেনো?
আমাদের দেশের নিরাপত্তার সবচেয়ে বড়ো হুমকি হচ্ছে ১৪ লক্ষ রোহিঙ্গা। তাদের সংখ্যা দিন দিন বেড়ে চলছে।
আমরা যুদি তাদের তারাতাড়ি পুর্নবাসন না করতে পারি তাহলে একদিন তারা আমাদের জন্য বড়ো হুমকি হয়ে দাঁড়াবে।
রোহিঙ্গা আমাদের জন্য কি হুমকি : ১. আমাদের ছোট দেশ অর্থনৈতিক সক্ষমতা নেই তাদের বসিয়ে খাওয়ানোর। এক সময় আন্তর্জাতিক সাহায্য আসা বন্ধ হয়ে যাবে। তখন তাদের ভরণপোষণ করতে গিয়ে আমাদের অর্থনীতির বেহাল অবস্থা হবে।
২. তারা যতো দিন যাবে খারাপ কাজে জরিয়ে পড়বে, ডাকাতি, খুন মাদক ব্যবসা আরো বিভিন্ন বিষয়।
৩. বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থা তাদের কাজে লাগিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম ভাঙতে চাইবে যার উদাহরণ আপনারা দেখতে পারছেন।
এখন এসব বিষয় থেকে আমরা কি করে বাঁচতে পারি?
১.পার্বত্য চট্টগ্রামের কিছু অংশ সেনাবাহিনীর জন্য সামরিক জোন ঘোষণা করা।
যেখানে আমাদের সেনাবাহিনী কাজ করবে। তার ফলে আরসা বা আরাকান আর্মি বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারবে না।
এবং বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থা নজর দাড়ি বন্ধ করা যাবে।
২. আমাদের সামরিক শক্তি বাড়ানো উচিত তারাতাড়ি।
৩. আমাদের উচিত রোহিঙ্গাদের কিছু সামরিক প্রশিক্ষণ দিয়ে আরাকানে প্রবেশ করানো এবং আমরা তাদের গোয়েন্দা তথ্য যাবতীয় সাহায্য করবো। যুদি তারা সাফল্য পায় তাহলে আমরা কিছু, কিছু করে রোহিঙ্গাদের আরাকানে ডুকিয়ে দিবো।
৪. এবং পরের সরকার এসে যাতে এসব বিষয় আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায় করে।
৫. আমাদের শেষ রাস্তা সামরিক শক্তি বাড়ানো। এবং তুরস্কের মতো আন্তর্জাতিক সমর্থন নিয়ে আরাকানে ভাপারিণ জোন প্রতিষ্টা করা। এবং আরাকানে আক্রমণ করে দখল করা।
যুদি রোহিঙ্গাদের নিয়ে আমরা তারাতাড়ি কোনো সমাধান বা সিদ্ধান্তে না আসি। তাহলে আমরাও সিরিয়া পাকিস্তান কম্বোডিয়া মতো হয়ে যাবো।
আমি যা বলেছি তা করতে গেলে ভারত এবং তাদের দালাল এসব কাজে বাদা দিবে। কারণ ভারতের কালাধান পকল্প আরাকানে।
যুদি আমরা এটা বাস্তবায়ন করি তাহলে পুরো মারা খাবে। এই দিখে বাংলাদেশে টার্নজিট বন্ধ হয়ে গেছে।
সেভেন সিস্টারে স্বাধীনতার আওয়াজ তুলছে, আর যুদি এর ভিতরে চীন আক্রমণ করে তাহলে মারা সারা।