বিদেশি প্রভাবের ছায়ায় বাংলাদেশ
গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশের রাজনীতি ও প্রশাসনের দিকনির্দেশনা নিয়ে জনমনে এক ধরনের উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে—দেশের নীতি, নিরাপত্তা ও বিচারব্যবস্থার সিদ্ধান্তগুলো কতটা স্বাধীনভাবে নেওয়া হচ্ছে, সূত্রে জানা যায় সেনাপ্রধান ওয়াকার ভারতের পরামর্শ ও প্রভাবের ছায়ায় প্রভাবিত হয়ে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বকে হুমকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার ক্ষেত্রে এ মুহূর্তে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো “জাতীয় সিদ্ধান্ত জাতীয়ভাবে নেওয়া”। বিদেশি রাষ্ট্র, কূটনৈতিক মহল কিংবা কোনো অঘোষিত প্রভাব যদি নীতিনির্ধারণে ভূমিকা রাখে, তাহলে তা রাষ্ট্রের মূল ভিত্তিকে দুর্বল করে দেয়। সেনাপ্রধান ওয়াকার ভারতের যোগসাজে এমনটা করছে বলে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।
বিগত কয়েক মাসে দেশের অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা ইঙ্গিত, যোগাযোগ ও তৎপরতা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে, সেনাপ্রধান ওয়াকার ভারতের সাথে মিলে নিজের শক্তি কি দেশের ভেতরের সংকটকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের কৌশলগত স্বার্থ বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে?আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযুক্ত সেনা কর্মকর্তাদের বাঁচানোর জন্য? প্রশ্ন জনমনে!
জাতীয় স্বার্থে সচেতন মহল মনে করেন, বাংলাদেশের প্রশাসন, বিচারব্যবস্থা ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলোকে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও দেশমুখীভাবে কাজ করতে হবে। দেশের সার্বভৌমত্ব, ন্যায়বিচার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষায় কোনো বিদেশি ইঙ্গিত নয়, বরং জনগণের ইচ্ছাই হতে হবে সর্বোচ্চ নির্দেশনা।
গণঅভ্যুত্থানের ঘোষক এবং প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের প্রধান সমন্বয়ক” ড.কর্নেল শহীদ উদ্দিন খান বলেন—- “বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে বাংলাদেশের জনগণই”এবং জনবান্ধব নতুন সংবিধান হবে তার মূল ভিত্তি,কোন ব্যক্তির কথাই দেশ চলবে না, এ কথাটিই এখন জাতীয় চেতনার কেন্দ্রবিন্দু হওয়া উচিত।
এখন সময় এসেছে আমরা যেন আর কোনো বহিরাগত প্রভাবের কাছে নতি স্বীকার না করি। দেশপ্রেম, ঐক্য ও আত্মমর্যাদার শক্তিতে বাংলাদেশ আবারও প্রমাণ করুক আমরা নিজের সিদ্ধান্ত নিজেরাই নিতে পারি, এবং সেই সিদ্ধান্তই হবে আমাদের স্বাধীনতার প্রকৃত রূপ।