সরকারি কড়াকড়িতে পিছিয়ে যাচ্ছেন জাহাজ মালিকরা
টানা নয় মাস বন্ধ থাকার পর অবশেষে আগামীকাল (১ নভেম্বর) সেন্ট মার্টিন দ্বীপে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা তুলে নিচ্ছে সরকার। তবে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পরও পর্যটকরা এখনই সেখানে যেতে পারবেন কি না, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন অনিশ্চয়তা।
পর্যটন খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারের সর্বশেষ নির্দেশনায় দ্বীপটিতে রাতে অবস্থান নিষিদ্ধ করা হয়েছে, পাশাপাশি আরোপ করা হয়েছে বাড়তি কিছু বিধিনিষেধ। এসব কড়াকড়ি সিদ্ধান্তের ফলে পর্যটন মৌসুম শুরুর আগমুহূর্তে জাহাজ মালিকরা পিছিয়ে গেছেন যাত্রীবাহী জাহাজ চালানোর সিদ্ধান্ত থেকে।
জাহাজ মালিক সমিতির একাধিক সদস্য জানিয়েছেন, সেন্ট মার্টিনে যাতায়াতের ঘোষণা দেওয়ার পর প্রথমদিকে পর্যটকদের আগ্রহ ছিল ব্যাপক। কিন্তু সরকার নতুন প্রজ্ঞাপন জারির পর অনেকেই বুকিং বাতিল করছেন। ফলে জাহাজ চালানো আর অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক থাকছে না।
তাছাড়া এবারে টেকনাফের পরিবর্তে কক্সবাজার থেকে জাহাজ চালুর সিদ্ধান্তের কারণে দূরত্ব বেড়ে যাওয়ায় পরিচালন ব্যয়ও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এতে পর্যটকদের টিকিটমূল্যও বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
পর্যটন ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, সরকারের কঠোর বিধিনিষেধ না শিথিল করা হলে সেন্ট মার্টিনের পর্যটন মৌসুম কার্যত বাধাগ্রস্ত হবে।
একজন জাহাজ মালিক বলেন, “নিষেধাজ্ঞা উঠেছে ঠিকই, কিন্তু রাতে থাকা যাবে না—এমন অবস্থায় পর্যটকরা কেন আসবেন?”
সবমিলিয়ে, দীর্ঘ বিরতির পরও সেন্ট মার্টিনে পর্যটন মৌসুম শুরুর আগেই হতাশার ছায়া নেমেছে ব্যবসায়ী ও পর্যটক উভয় মহলে।