কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় তারাকান্দি গ্রামে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে সুদানে সন্ত্রাসী ড্রোন হামলায় নিহত সেনাসদস্য মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমের লাশের অপেক্ষায় রয়েছেন স্বজনরা।
রোববার সকালের দিকে তার লাশ পৌঁছার কথা থাকলেও দুপুর ১২টা পর্যন্ত আবহাওয়াজনিত কারণে পৌঁছেনি। আবহাওয়াজনিত কারণে হেলিকপ্টারটি রওনা দিতে বিলম্ব হচ্ছে বলে জানা গেছে।
এরআগে গতকাল শনিবার জাহাঙ্গীর আলমসহ সুদানে শাহাদাতবরণকারী ৬ সেনাসদস্যের লাশ দেশে পৌঁছে।
যোহর নামাজের পর নিজ বাড়িতে ওই সেনাসদস্যের জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে।
নিহত জাহাঙ্গীর আলম উপজেলার তারাকান্দি গ্রামের মোহাম্মদ হযরত আলীর ছেলে। ২০১৪ সালের ১৪ অক্টোবর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে মেস ওয়েটার হিসেবে যোগ দেন। রংপুর ক্যান্টনমেন্টে চাকরিরত অবস্থায় চলতি বছরের ৭ নভেম্বর তিনি জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে সুদানে যান।
গত ১৩ ডিসেম্বর সুদানের আবেই এলাকায় জাকিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের একটি ঘাঁটিতে সংঘটিত বর্বরোচিত সন্ত্রাসী ড্রোন হামলার ঘটনায় সেখানে অবস্থানকারী ৬জন বাংলাদেশী সেনাসদস্য শাহাদাৎ বরণ করেন।