প্রকাশ: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)–এর নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নিয়েছেন। মঙ্গলবার সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে সংসদ ভবনের শপথকক্ষে সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন।
বিএনপি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শেষ পর্যন্ত সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেননি।
আজ বিকেল ৪টায় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠিত হবে। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপির ভূমিধস বিজয়ের পর দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন।
প্রায় দুই দশক পর ষষ্ঠবারের মতো রাষ্ট্রক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বিএনপি। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ আসনে বিজয়ী দলটি আজ সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। ২০০৬ সালে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব শেষ করার দুই দশক পর সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া–র ছেলে তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে যাচ্ছেন।
সদ্য অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনে বিএনপির ২০৯ জন এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। এর মধ্যে বগুড়া-৬ আসন থেকে তারেক রহমান পদত্যাগ করায় আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে। চট্টগ্রাম-২–এর জয়ী সারোয়ার আলমগীর ও চট্টগ্রাম-৪–এর আসলাম চৌধুরীর ঋণখেলাপি সংক্রান্ত বিষয় আদালতে থাকায় ওই দুই আসনের গেজেট প্রকাশ স্থগিত রয়েছে।
বিএনপি তাদের সংসদীয় দলের সভায় জোটের শরিক তিন এমপিকে আমন্ত্রণ জানাতে পারে। তারা হলেন আন্দালিব রহমান পার্থ, জোনায়েদ সাকি এবং নুরুল হক নুর। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এ তিনজন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে আমন্ত্রণ পেতে পারেন।
সংসদীয় দলের সভায় নেতা নির্বাচনের পাশাপাশি উপনেতা (মন্ত্রী মর্যাদার), চিফ হুইপ এবং ছয়জন হুইপ নির্বাচন করা হবে। সংসদ উপনেতা হিসেবে সালাহউদ্দিন আহমেদের নাম আলোচনায় রয়েছে।
অন্যদিকে বিরোধী দলের আসনে বসতে যাওয়া বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী–নেতৃত্বাধীন জোট তাদের সংসদীয় দলের সভায় বিরোধীদলীয় নেতা, উপনেতা, চিফ হুইপ ও হুইপ নির্বাচন করবে। বিরোধীদলীয় নেতা মন্ত্রীর মর্যাদা ভোগ করে থাকেন।