প্রকাশ , ০২ এপ্রিল ২০২৬
৫০তম বিসিএস পরীক্ষার্থীরা লিখিত পরীক্ষার সময় বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তারা প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করে সময়সূচি পুনর্বিবেচনার অনুরোধ করেছেন, যাতে বর্তমান দুই মাসের পরিবর্তে তিন মাস সময় দেওয়া হয়।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলন ও প্রতিবাদ সমাবেশে শিক্ষার্থীরা লিখিত পরীক্ষার সময় বৃদ্ধির দাবি জানান। সমাবেশে তাদের হাতে ছিল বিভিন্ন প্লাকার্ড—
- “লিখিততে ন্যূনতম চার মাস ন্যায্য দাবি”
- “বৈষম্যের ঠাঁই নাই, বৈষম্যহীন বাংলায়”
- “দুই মাসে বিসিএস রিটেন মানি না, মানব না”
- “দাবি মোদের একটাই, জুলাই রিটেন চাই”
পরীক্ষার্থী আমানুল্লাহ আমান বলেন, “৩৫ থেকে ৪৬তম বিসিএসে লিখিত পরীক্ষার জন্য গড়ে ৮ মাসের বেশি সময় দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু আমাদের মাত্র দুই মাস সময় দেওয়া হয়েছে। বিসিএসের বিশাল সিলেবাসের জন্য এটি যথেষ্ট নয়।” তিনি আরও বলেন, লিখিত পরীক্ষার সময় বাড়ালে ভাইভার সময় কমিয়ে আনা যেতে পারে, যা পরীক্ষার্থীদের প্রস্তুতিতে সহায়ক হবে।
পরীক্ষার্থী সোহাগ মিয়া জানান, প্রিলিমিনারি ফলাফল প্রকাশের পর লিখিত পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ৯ এপ্রিল, ফলে পরীক্ষার্থীদের প্রস্তুতির জন্য সময় থাকছে মাত্র ৫৮ দিন। মেহেরুস রাফসান বলেন, নতুন প্রার্থীরা সীমিত সময়ের কারণে অভিজ্ঞ প্রার্থীদের তুলনায় পিছিয়ে পড়ছেন, এবং রমজান মাসের কারণে প্রস্তুতির গতি কমে যায়।
পরীক্ষার্থী পিকু বড়ুয়া বলেন, চাকরির পাশাপাশি এত অল্প সময়ে প্রস্তুতি নেওয়া অত্যন্ত কঠিন। তিনি প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষার মধ্যে ন্যূনতম ৪-৫ মাসের ব্যবধান রাখার অনুরোধ জানান, যাতে এক বছরে বিসিএস সম্পন্ন করা সম্ভব হয়।
এর আগে, গত ১ মার্চ পিএসসি এবং ২৯ মার্চ জনপ্রশাসন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছেন ৫০তম বিসিএস পরীক্ষার্থীরা।