কুয়েতে ড্রোন হামলায় নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ; Pentagon-এর সরকারি বক্তব্যের সঙ্গে বাস্তবতার বড় অমিল
ওয়াশিংটন/কুয়েত
প্রকাশ : ১১ এপ্রিল ২০২৬
ইরান যুদ্ধ চলাকালে কুয়েতে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ভয়াবহ ড্রোন হামলার ঘটনায় পেন্টাগনের দেওয়া তথ্যের সঙ্গে বাস্তব পরিস্থিতির বড় ধরনের অসামঞ্জস্য তুলে ধরেছেন বেঁচে যাওয়া মার্কিন সেনারা। তাদের দাবি, ইউনিটটি ছিল অত্যন্ত অরক্ষিত এবং প্রস্তুতিহীন।
ইরান যুদ্ধ শুরুর পর মার্কিন বাহিনীর ওপর সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলাগুলোর একটি নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। কুয়েতে সংঘটিত ওই হামলায় ৬ জন মার্কিন সেনা নিহত এবং ২০ জনের বেশি আহত হন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম CBS News-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বেঁচে যাওয়া সেনারা জানিয়েছেন, ঘটনাস্থলে কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল না।
একজন আহত সেনা বলেন,
“ড্রোনটি হঠাৎ ঢুকে পড়েছিল—এমন ব্যাখ্যা সঠিক নয়। আমাদের ইউনিট নিজেদের রক্ষার জন্য প্রস্তুতই ছিল না।”
সেনাদের ভাষ্যমতে, তাদের ইউনিটকে ইরানি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের আওতার মধ্যে থাকা একটি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় স্থানান্তর করা হয়েছিল। হামলার আগে ‘সবকিছু স্বাভাবিক’ বলে সংকেত দেওয়া হলেও মাত্র ৩০ মিনিট পরই ড্রোনটি ঘাঁটিতে আঘাত হানে।
হামলার সময় কোনো সতর্ক সংকেত না বাজা এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অনুপস্থিতির অভিযোগও তুলেছেন তারা। এমনকি হামলার পর উদ্ধার কার্যক্রমেও ঘাটতি ছিল বলে দাবি করেন সেনারা। আহতদের অনেকেই নিজেদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বেসামরিক যানবাহনে হাসপাতালে যান।
অন্যদিকে Pentagon দাবি করেছে, ঘাঁটিটি ‘সুরক্ষিত’ ছিল এবং সেনাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল।
তবে সেনাদের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা সেই দাবিকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনার ফলে মার্কিন সামরিক তথ্যের বিশ্বাসযোগ্যতা ও যুদ্ধ পরিচালনার কৌশল নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।
সিবিএস নিউজ