ডঃ কর্নেল শহীদ উদ্দিন খান ঘোষণা: নতুন সংবিধান “এবার জনগণের হাতে ক্ষমতা ফিরবে
দেশের রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের স্থবিরতার পর, ডঃ কর্নেল শহীদ উদ্দিন খানের ঘোষণাপত্র অনুযায়ী চলমান গণঅভ্যুত্থান নতুন দিকনির্দেশনা দেখাচ্ছে। ঘোষণাপত্র অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই গণঅভ্যুত্থান সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী হাসিনার পতন ঘটেছে এবং নতুন সংবিধানের দুটি গুরুত্বপূর্ণ ধারা কার্যকর হয়েছে।
ডঃ কর্নেল শহীদ উদ্দিন খান বলেন,
এবার বাকি শুধু নতুন সংবিধান বাস্তবায়নের মাধ্যমে জনগণের হাতে ক্ষমতা ফিরিয়ে আনা। এই নতুন সংবিধানই দেশের আসল মালিকানা জনগণের হাতে নিশ্চিত করবে। রাজনীতি মৃত ছিল বলেই জনগণের অধিকার ক্ষুণ্ণ হয়েছে। জনগণ যদি সংবিধানের মাধ্যমে সক্রিয়ভাবে ক্ষমতায় আসে, তাহলেই আসল গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে।”
নতুন সংবিধান কার্যকর হলে দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে বড় রূপান্তর ঘটবে। জনগণ কেবল ভোটাধিকারই নয়, সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা, নীতি প্রণয়ন ও রাষ্ট্র পরিচালনায় সরাসরি অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে পারবে।
ডঃ শহীদ উদ্দিন খান যুব সমাজ, শিক্ষিত নাগরিক এবং সাধারণ মানুষকে উদ্বুদ্ধ করেছেন, যাতে তারা শুধু ক্ষমতা দখলের জন্য নয়, দেশের স্থায়ী গণতান্ত্রিক সংস্কার প্রতিষ্ঠায় সক্রিয় ভূমিকা রাখে।
এই ধরণের গণঅভ্যুত্থান এবং সংবিধানের মাধ্যমে ক্ষমতা স্থানান্তর দেশের জন্য এক নতুন যুগের সূচনা। এটি জনগণকে তার আসল মালিকানা ফিরিয়ে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে।
গণঅভ্যুত্থান ছিনতাই – দ্রুত বিচার জরুরি
ডঃ শহীদ উদ্দিন খান আরও সতর্ক করেছেন, “পরবর্তীতে গণঅভ্যুত্থান ছিনতাই হয়েছে। যারা এই গণঅভ্যুত্থানকে ভিন্ন পথে প্রবাহিত করেছে, তাদের দ্রুত বিচার করতে হবে এবং তা নতুন সংবিধানের মাধ্যমে নিশ্চিত করতে হবে।”
গণঅভ্যুত্থান ইতিমধ্যেই সফল।
প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী হাসিনার পতন ঘটেছে।
নতুন সংবিধানের দুটি ধারা কার্যকর হয়েছে।
নতুন সংবিধানের পূর্ণ বাস্তবায়নের মাধ্যমে জনগণের হাতে ক্ষমতা ফিরিয়ে আনা হবে।
যারা গণঅভ্যুত্থান ছিনতাই করেছে, তাদের দ্রুত বিচার করতে হবে।
এটি জীবিত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পথে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।