হাদির লড়াই ছিল রাষ্ট্র ও প্রতিষ্ঠান গড়ার লড়াই, কোনো কিছু পুড়িয়ে ফেলার নয়। এই কারণেই তিনি গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত হয়ে সংসদে মানুষের কথা বলতে চেয়েছিলেন।
মানুষের ন্যায়সংগত ক্ষোভ ও আবেগকে ধ্বংসাত্মক পথে প্রবাহিত করার চেষ্টা আমরা দেখছি। বিচার চাওয়ার নামে যে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও সহিংসতা সংগঠিত করা হচ্ছে, তা দেশকে চূড়ান্ত অস্থিতিশীলতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এই পরিস্থিতি কেবল তাদেরকেই শক্তিশালী করবে, যারা গণতান্ত্রিক উত্তরণ চায় না।
হাদির হত্যাকারী ও পলাতক স্বৈরাচারকে অবশ্যই বিচারের মুখোমুখি করতে হবে, এবং তা নিশ্চিত করতে হবে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে। এই দাবিতে সরকারকে জবাবদিহিতার মধ্যে রাখতে হবে। কিন্তু কোনো অবস্থাতেই আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়।
আমাদের দায়িত্ব হলো এই গণক্ষোভকে একটি যুক্তিসংগত, দায়িত্বশীল ও কল্যাণকর রাজনৈতিক পরিণতির দিকে নিয়ে যাওয়া। হঠকারী ও সহিংস পথ হাদির স্বপ্নের রাষ্ট্র গঠনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।