দেশের জ্বালানি খাত নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন লে. কর্নেল ফেরদৌস আজিজ (অব.)। তিনি সরাসরি বলেছেন
“বাংলাদেশের কয়লা বন্ধ রেখেই বিদেশি স্বার্থ পূরণ করা হয়েছে। দেশের মূল্যবান সম্পদ মাটির নিচে পচে যাচ্ছে, আর বিদেশি কোম্পানির কাছে দেশকে জ্বালানির ভিক্ষুক বানানো হয়েছে এই অপরাধ ইতিহাস কখনো ক্ষমা করবে না।
দেশের জ্বালানি খাতে দীর্ঘদিনের অদক্ষতা, রাজনৈতিক প্রভাব ও বিদেশনির্ভর নীতির বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ তুলেছেন লে. কর্নেল ফেরদৌস আজিজ (অব.)। তিনি দাবি করেছেন ফুলবাড়িয়ার মতো বিশ্বমানের কয়লা ভান্ডার থাকা সত্ত্বেও রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও বিদেশি স্বার্থের চাপে বাংলাদেশের নিজের কয়লা উত্তোলন বন্ধ রেখে বিদেশ থেকে নিম্নমানের কয়লা আমদানি করা হয়েছে, বিগত সময়ে বেগম খালেদা জিয়া কে ক্ষনি থেকে কয়লা উত্তোলন করতে দেয় নি- হাসিনার আওয়ামীলীগ ও বাম রা, ভারতের অর্থায়নে তারা আন্দোলন করে পরিবেশের দোহাই দিয়ে, যা দেশের জ্বালানি নিরাপত্তাকে বিপর্যস্ত করেছে।
লে. কর্নেল ফেরদৌস আজিজ বলেন,
“বছরের পর বছর ধরে ফুলবাড়িয়া কয়লা উত্তোলনে বাধা দেওয়া হয়েছে। পরিবেশের অজুহাত দেখিয়ে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপে দেশের নিজস্ব জ্বালানি সম্পদকে আটকে রাখা হয়েছে, অথচ পরে ভারতীয় কোম্পানির মাধ্যমে ইন্দোনেশিয়া থেকে অতিনিম্নমানের কয়লা আমদানি করা হয়েছে যার সঙ্গে মাটি পর্যন্ত মেশানো ছিল। বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো সেই কয়লা ব্যবহারই করতে পারেনি।”
তিনি বলেন
বাংলাদেশের কয়লার মান অত্যন্ত উচ্চমানের। এই মজুদ দিয়ে আগামী ৫০ বছরের বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণ তো হবেই, অতিরিক্ত কয়লা রপ্তানিও সম্ভব। কিন্তু বিদেশি স্বার্থরক্ষা করতে গিয়ে দেশের সম্পদ মাটির নিচে পচে যাচ্ছে।
ড. ইউনুস সরকারের প্রতি জরুরি আহ্বান
লে. কর্নেল ফেরদৌস আজিজ এই ইস্যুতে ড. মুহাম্মদ ইউনুসের সরকারকে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন
“দেশের জ্বালানি স্বাধীনতার জন্য ফুলবাড়িয়ার কয়লা উত্তোলন অবিলম্বে শুরু করতে হবে। উত্তরবঙ্গে ৬,০০০ থেকে ৮,০০০ মেগাওয়াটের স্থায়ী বিদ্যুৎকেন্দ্র সহজেই গড়ে তোলা সম্ভব। সময় নষ্টের সুযোগ নেই।”
তিনি আরও বলেন,
“যে রাজনৈতিক দল দেশের স্বার্থে বাধা দেবে, জনগণ তাদের ছেড়ে কথা বলবে না। জ্বালানি নিরাপত্তা এখন জাতীয় বাঁচা-মরার প্রশ্ন। সহযোগিতা না করলে জনগণ জবাব দিতে বাধ্য হবে।