টাঙ্গাইল-৮ আসনে বিএনপি প্রার্থী ও সখীপুর সরকারি কলেজের প্রভাষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ
টাঙ্গাইল — ৬ জানুয়ারি ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসনে বিএনপি প্রার্থী আহমেদ আযম খানের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। একইভাবে সখীপুর সরকারি কলেজের প্রভাষক মো. শরিফুল ইসলাম খানকেও কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
টাঙ্গাইলের নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির সিভিল জজ আশরাফুল আলম মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) তাদের কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করেন। জানা গেছে, আযম খান নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে ভোট প্রার্থনা ও অনুদান ঘোষণা করছিলেন।
সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার স্মারক নম্বর ০৫.৪১.৯৩৮৫.০০০.০৪.০০৩.২৫.১১৬৪ অনুযায়ী, অভিযোগ ২৯ ডিসেম্বর নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটিতে পাঠানো হয়।
নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির সিভিল জজ ভিডিও ও ছবি পর্যালোচনা করে দেখেন, একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে আযম খান বক্তব্যে বলেন,
“১২ বার তো ভোট দিয়েছেন এবার ১৩ বারের নির্বাচনে হিসেব করে ভোট দেন। আমি ধানের শীষের প্রার্থী হয়েছি। আমার দল বিএনপি ইতোমধ্যে ঘোষণা করেছে আগামী নির্বাচনে বিএনপি পাস করলে দুই কোটি ফ্যামিলি কার্ড দেবে।”
এছাড়া তিনি নির্বাচনের প্রথম বছরে দুটি রাস্তা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেন। ভিডিও যাচাই শেষে আচরণবিধি-২০২৫ লঙ্ঘনের বিষয়টি নিশ্চিত হয়।
অপরদিকে সখীপুর সরকারি কলেজের প্রভাষক মো. শরিফুল ইসলাম খানও একজন প্রার্থীর পক্ষে কাজ করার অভিযোগে কারণ দর্শানোর নোটিশ পেয়েছেন।
ফলে দুজনকেই টাঙ্গাইল চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবনে স্থাপিত নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির সিভিল জজ আদালতে কারণ দর্শাতে নোটিশ দেওয়া হয়েছে।