দিঘারকান্দা এলাকায় আসামিকে গ্রেপ্তার করতে গেলে পুলিশকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়; আহত পাঁচ পুলিশ সদস্য হাসপাতালে ভর্তি
ময়মনসিংহ, বাংলাদেশ — ১৪ জানুয়ারি ২০২৬
ময়মনসিংহে পুলিশের ওপর হামলা ও আসামি ছিনতাইয়ের ঘটনায় সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনার মূল উদ্দেশ্য ছিল দিঘারকান্দা এলাকায় গ্রেপ্তার হওয়া এক আসামি আরিফুল ইসলামকে উদ্ধার করা।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন:
- মো. সাগর আলী হাজী (৬০)
- এ. কে. এম রেজাউল করিম (৩৫)
- সুজন মিয়া (২৭)
- নাজিম উদ্দিন (৩৭)
- মো. জয়নাল উদ্দিন (৪২)
- মো. খলিলুর রহমান (৪০)
- মো. নাজিম উদ্দিন (৪২)
তারা সবাই ময়মনসিংহ নগরীর দিঘারকান্দা এলাকার বাসিন্দা।
কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুস সাকিব জানান, গত ১০ জানুয়ারি দুপুরে দিঘারকান্দা এলাকায় মো. রাসেল নামে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। আহত ব্যক্তি বর্তমানে রাজধানীর জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসাধীন। ঘটনার পর পরিবার ১১ জানুয়ারি থানায় মামলা দায়ের করে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ফরিদ আহমদের নেতৃত্বে পুলিশের পাঁচ সদস্যের একটি দল মঙ্গলবার বিকেলে আসামি আরিফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে। তবে তাকে থানায় নেওয়ার পথে তার বাবা সাগর আলীর নেতৃত্বে শতাধিক লোক লাঠি, দেশীয় অস্ত্র ও অন্যান্য উপকরণ নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এতে পাঁচ পুলিশ সদস্য আহত হন এবং একপর্যায়ে হাতকড়াসহ আসামি আরিফুলকে ছিনিয়ে নিয়ে যায় হামলাকারীরা। পরে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত পুলিশ সদস্যদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।
এই ঘটনায় পুলিশের ওপর হামলা ও আসামি ছিনতাইয়ের অভিযোগে কোতোয়ালি মডেল থানার এএসআই আরিফুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় ২৯ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ১৪০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
ওসি মো. নাজমুস সাকিব জানান, ঘটনার পরপরই অভিযান চালিয়ে সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে বুধবার দুপুরে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।