ঢাকা, ২৯ মার্চ ২০২৬
সরকার পেট্রোল পাম্পে ‘ট্যাগ অফিসার’ নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নতুন কর্মকর্তারা তেলের স্বাভাবিক সরবরাহ নিশ্চিতকরণ, অবৈধ মজুত ও কৃত্রিম সংকট রোধে কাজ করবেন। এজন্য ১৩টি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব নির্ধারণ করা হয়েছে।
পেট্রোল পাম্পের ট্যাগ অফিসারদের কাজের মধ্যে রয়েছে—
১. ফিলিং স্টেশনের দৈনিক প্রারম্ভিক মজুত রেকর্ডভুক্ত করা।
২. ডিপো থেকে সরবরাহকৃত তেল পরিমাপ করে ফিলিং স্টেশনের পে-অর্ডার ও ডিপোর চালান/রিসিটের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা।
৩. ডিপ লোড/ডিপ স্টোকের মাধ্যমে তেল বুঝে নেওয়া।
৪. ফিলিং স্টেশনের রেজিস্ট্রারে ডিপো থেকে দৈনিক তেল গ্রহণের হিসাব লিপিবদ্ধ আছে কি না তা মনিটর করা।
৫. ডিসপেন্সিং মেশিনের দৈনিক মিটার রিডিং পর্যবেক্ষণ করে বিক্রয়ের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা।
৬. দৈনিক বিক্রির শেষে ফিলিং স্টেশনের সমাপনি মজুত পর্যালোচনা।
৭. ডিসপেন্সিং মেশিনের পরিমাপ যথাযথ হচ্ছে কি না নিয়মিত তদারকি করা।
৮. অনুমোদিত লে-আউট প্ল্যানে মজুত ক্ষমতার তথ্য যাচাই।
৯. ফিলিং স্টেশনের আশপাশে অননুমোদিত ট্যাংক/স্থাপনা আছে কি না পরীক্ষা করা।
১০. ডিপো থেকে-পাম্প ও পাম্প থেকে ভোক্তা সরবরাহ দৃশ্যমান করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া।
১১. প্রতিটি ডিপো, ট্যাংকার, পাম্প ও খুচরা বিক্রির তথ্য একত্রে পর্যবেক্ষণ এবং দিনে অন্তত তিনবার স্টক আপডেট বাধ্যতামূলক করা।
১২. তেল গ্রহণের এক ঘণ্টার মধ্যে বিক্রি শুরু না করলে তা লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য করা এবং যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া।
১৩. পাম্প খোলা আছে কি না, স্টক রেজিস্টার সঠিক আছে কি না, ডিসপ্লে বোর্ড, ক্যাশ মেমো, নির্ধারিত সীমা, অবৈধ বিক্রি, সারি ব্যবস্থাপনা—এসব জিও-ট্যাগ প্রমাণসহ রিপোর্ট করা।
উপসহকারী স্টাফরা বলছেন, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে তেলের অবৈধ মজুত ও কৃত্রিম সংকট কমানো সম্ভব হবে।