বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খান বলেন, সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা না থাকলে দল ৩০০ আসনের পরিবর্তে মাত্র ৩০-৩৫ আসন পেত
ঢাকা, বাংলাদেশ — ৭ জানুয়ারি ২০২৬
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, ২০০৮ সালের নির্বাচন মেটিকুলাসভাবে বিভিন্ন শক্তির সমন্বয়ে পরিচালিত হয়েছিল। তিনি বলেন, তা না হলে বিএনপি এত জনপ্রিয় দল হওয়া সত্ত্বেও ৩০০ আসনের পরিবর্তে মাত্র ৩০ থেকে ৩৫ আসনই পেত।
- প্রধান বক্তব্য: ড. মঈন খান ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট আয়োজিত বেগম জিয়ার স্মরণে শোক সভায় এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, “একটি পক্ষ তখন বাংলাদেশকে রাজনৈতিকভাবে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু জনগণ এখন সজাগ এবং কোনো শক্তি বা পরাশক্তির নিয়ন্ত্রণে বিএনপিকে বিভ্রান্ত করতে দেবে না।”
- বেগম খালেদা জিয়ার জনপ্রিয়তা: তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন আকাশচুম্বী জনপ্রিয়। এজন্য তিনি প্রথমে তিনটি, পরে পাঁচটি আসনে নির্বাচন করেছেন এবং জয়ী হয়ে জনগণের ভালোবাসার প্রমাণ দিয়েছেন।
- মিথ্যা মামলার প্রসঙ্গ: মঈন খান উল্লেখ করেন, ২০০৮ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত বেগম খালেদা জিয়া শুধু সংগ্রাম ও হামলার শিকার হননি, তাকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। তিনি বলেন, “আমি একদিন উনাকে বলেছিলাম, ম্যাডাম, আপনার উপর এসব মিথ্যা মামলা নিয়ে আমরা কিছু করতে চাই। তখন তিনি বলেছিলেন, না, কিছুই প্রয়োজন নেই, আমি নিয়মের মাধ্যমে প্রমাণ করবো। আমি ছিলাম নির্দোষ, আর জনগণও তা দেখবে।”
- জয় ও প্রমাণ: তিনি বলেন, অবশেষে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টে জয় হয়েছে। যারা দেশ ও জনগণের ক্ষতি করতে চেয়েছিল, তাদের পরাজয় স্পষ্ট হয়েছে।
- অনুষ্ঠানের অন্যান্য বক্তা ও উপস্থিতি:
- জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের প্রধান সমন্বয়ক ও জাগপার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার লুৎফর রহমান
- জোটের মুখপাত্র ও বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক পার্টির চেয়ারম্যান এস এম শাহাদাত
- সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক ডা. সৈয়দ নুরুল ইসলাম
- এনপিপির মহাসচিব মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা
- বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান এমএন শাওন সাদেকী
- ডেমোক্রেটিক লীগের সাধারণ সম্পাদক খোকন চন্দ্র দাস
- গণদলের মহাসচিব সৈয়দ আবু সাঈদ
- বাংলাদেশ মুসলিম লীগের মহাসচিব রেজওয়ান মোর্তজা প্রমুখ।