চট্টগ্রাম | ১০ মার্চ ২০২৬
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মধ্যে গৃহকর সংক্রান্ত বিরোধ পাঁচ দফা বৈঠকেও মীমাংসা হয়নি। বিষয়টি এখন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হচ্ছে।
চট্টগ্রাম বন্দর ও চসিকের গৃহকর বিরোধ মেটাতে গঠিত যৌথ জরিপ কমিটি পাঁচ দফা বৈঠক করলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি। সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গৃহকর সংক্রান্ত রেজল্যুশন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে এবং সেখান থেকেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে।
যৌথ জরিপে বন্দরের প্রায় ১ কোটি ৭৩ লাখ বর্গফুট এলাকা গৃহকর আদায়ের আওতায় নির্ধারণ করে চসিক, যার জন্য বার্ষিক ২৬৪ কোটি ৩৫ লাখ ৯২ হাজার টাকা কর ধার্য করা হয়েছে। তবে এই অঙ্কে এখনো সম্মতি দেয়নি বন্দর কর্তৃপক্ষ।
চসিকের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা এস এম সরোয়ার কামাল জানান, বন্দরের আয় ও সক্ষমতার ভিত্তিতে পৌরকর নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে বন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, ৩০ কোটির বেশি কর নির্ধারণ হলে মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রয়োজন। এ কারণে বিষয়টি এখন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে।