সাংবাদিকতা, লক্ষ্যভিত্তিক দক্ষতা ও সম্মানের প্রশ্নে একটি বাস্তবভিত্তিক আত্মসমালোচনা
বাংলায়: ঢাকা, বাংলাদেশ — ১৮ জানুয়ারি ২০২৬
আজ লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, মতিরোয়ার ও মাহফুজুর রহমান নিশ্চয় তারা এই সব পর্যায়ে পেছনে বড় ধরনের ভূমিকা রাখছেন। প্রশ্ন হলো—কেন? তারা দেখেছেন, তাদের অফিস পুড়ে গেছে। পুরে গেছে হিসাব করুন হাদির মৃত্যুর বিশ মিনিটের মধ্যে অর্থাৎ তার আগেই টার্গেট ছিলেন — যে কোনো উপায়ে হোক প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার ধ্বংস করতে হবে।
এই ক্ষেত্রে বিদেশে অবস্থানরত দু–একজন পডকাস্ট বক্তা অনলাইনে বিষয়টিকে অত্যন্ত খারাপ ও বিকৃতভাবে উপস্থাপন করেছেন এটা অন্যায় ।
কিন্তু মতিউর রাহমান এবং মাহফুজুর আনাম কে বুজতে হবে যখন নয়া দিগন্ত ও সংগ্রাম আক্রান্ত হয়েছিল তখন তারা কোনো কথা বলেনি —আমি দেখিনি। আমার অ্যাকাউন্ট যখন বন্ধ হয়ে গেল, প্রতিষ্ঠান বন্ধ হল তখনও আমি তাদের পাশে পাইনি।
আজকে তারা চাইছেন—আপনারা সবাই চাইছেন—সবাই যেন সব সাংবাদিক ঐক্যবদ্ধ হই। আমিও সেটাই চাই। কিন্তু ঐক্যবদ্ধ হতে হলে বিকল্প ও উন্নত পথও রাখতে হবে। যাতে সাংবাদিকতা থেকে সাময়িক বিরতি নিয়ে হলেও অন্য কোনো কিছু নির্ভশীল হতে পারেন। কেন নাহ মাসের শেষে টাকাটাই বাস্তবতা।
আপনার সংসারের খরচ, সন্তানের স্কুল ফি, পারিবারিক দায়—সবই মেটাতে হয়। এই আর্থিক নিশ্চয়তা ছাড়া আদর্শ টেকসই হয় না। তাই দয়া করে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে ভাবুন।
আর এটা চিন্তা করার এক মাত্র উপায় হল বই পরুন অনেক বেশি বই পরুন এবং বিভিন্ন বিষয় দক্ষ করুন
যেমন আমি প্রশাসন অথবা অর্থনীতি তে বা রাজনীতি তে আমি একজন বিশেষজ্ঞ বা সিরিয়া বিশ্ব ,তুর্কি বিশ্ব আমি একজন বিশেষজ্ঞ । আপনারাও চাইলে প্রতিদিন নিজেকে একজন বিশেষজ্ঞ হিসেবে গড়ে তুলতে পারেন।
দেখবেন—সানডে টাইমস অবজারভারসহ আন্তর্জাতিক মানের গণমাধ্যমে যারা লেখেন, তারা সবাই নির্দিষ্ট একটি টার্গেট ও দক্ষতা নিয়ে এগিয়েছেন।এই পথটাই আপনাদের নিতে হবে।
কারণ যখন আপনাদের ‘দালাল’ বলা হয়, তখন আমার খুব কষ্ট লাগে। বলা হয়—কয়েকদিন আগে আওয়ামীলীগ পক্ষের ছিলেন, এখন বিএনপির পক্ষে। এটা কি হতে পারে এটা কি কোনো ম্যাজিক? এই ম্যাজিকের পেছনে দৌড়ালে সম্মান বাড়ে না, বরং কমে।
আমি নিজেকে একজন সম্মানিত মানুষ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চেয়েছি বলেই নিজের সামর্থ্যের মধ্যে থেকে বিভিন্ন দক্ষতা আয়ত্ত করার চেষ্টা করেছি।