পিনাকি তার এক ফেসবুক পোস্টে বলেন,
এগারো দলকে থামাইতে আমাদের ডগিফাই, র চা খাইয়া নাকি নয়া নয়া দুইটা পরিকল্পনা করছে। একটা এগারো দলের মাঠের কর্মীদের মাঠ ছাড়া করার পরিকল্পনা আরেকটা ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে যাইতে নিরুৎসাহিত করার।
এক নাম্বার পরিকল্পনা হইতেছে, তিন থেকে ছয় তারিখের মধ্যে কিছু না / শকতামুলক কাজ কইর্যা মাঠের কর্মীদের বেশিরভাগকে প্যাকেট কইরা ফেলা, কিছু বিম্পির পোলাপাইন ধরবে আর বেশীরভাগ ধরবে এগারো দলের। যেন কর্মীরা মাঠে না থাকে। মাথ যেন ফাকা হইয়া যায়।
আর দুই নাম্বার হইতেছে আট তারিখ থেইক্যা দশ তারিখ পর্যন্ত পায়ে পাড়া দিয়া ব্যপক সংঘাত করা, যেন সাধারণ ভোটারেরা ভোট কেন্দ্রে না যায়।
২০২৪ এর পাচই আগষ্টের পর থেকে সংগঠিত ৯২% সহিংসতা বিএনপি করেছে। এইটা সারা দুনিয়া জানে।
উৎসবমুখর নির্বাচন অনুষ্ঠানের পথে সব বাধা দূর করে দেশবাসী আগামীর বাংলাদেশকে আবাহন জানাবে। সেই নতুন সুর্যের ভোর ঠেকানোর ক্ষমতা ওদের নাই।
জনগন সকল ষড়যন্ত্র রুখে দেবে।।আমাদের এইবার জিততেই হবে। আমরা বাংলাদেশকে হারতে দেবোনা ইনশাআল্লাহ। কারণ আমরাই বাংলাদেশ।
আজাদি জিন্দাবাদ।
ইনকিলাব জিন্দাবাদ।